চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ১ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি ডলার ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ। এপ্রিলে এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা ঘোষণার পর ঋণগ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নতুন করে বাড়ানো হয়েছে ৪৫৩ বিলিয়ন বা ৪৫ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। খবর আনাদোলু।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানা হয়, সেপ্টেম্বর শেষে মার্কিন অর্থ বিভাগের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে আনুমানিক ৮৫০ বিলিয়ন ডলার। প্রাথমিকভাবে নগদ অর্থের ঘাটতি ও প্রত্যাশার তুলনায় কম নগদ প্রবাহের কারণেই ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
মার্কিন অর্থ বিভাগে আরো জানিয়েছে, চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র ৫৯০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে পারে এবং বছর শেষে নগদ অর্থের পরিমাণ একইভাবে ৮৫০ বিলিয়ন ডলার থাকবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হচ্ছে।
এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ৬৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছিল, যেখানে প্রান্তিক শেষে তাদের হাতে ছিল ৪৫৭ বিলিয়ন ডলার।
এপ্রিলে প্রকাশিত পরিকল্পনায় জানানো হয়েছিল, দ্বিতীয় প্রান্তিকে সরকার ৫১৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেবে এবং জুন শেষে নগদ অর্থ থাকবে ৮৫০ বিলিয়ন ডলার। তবে বাস্তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে নেয়া ঋণের পরিমাণ পরিকল্পনার তুলনায় অনেক কম ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বাজেট ঘাটতি ও উচ্চ সুদহারের চাপের মধ্যে রয়েছে। বাড়তি ঋণের এ পরিকল্পনা দেশটির আর্থিক নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের এমন ঋণ পরিকল্পনা বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।